পূর্বস্থলীতে লোকসংস্কৃতি মেলা

প্রশাসন

শ্যামল রায়,

প্রতি বছরের মতো এ বছরেও লোক সংস্কৃতি উৎসব কৃষি মেলা ও আদিবাসী মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে পূর্বস্থলী এক নম্বর ব্লকের শ্রীরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শ্রীরামপুর তরুণ সংঘ ও ইউনাইটেড হাইস্কুলের মাঠে। ১৮ তম আন্তর্জাতিক লোক সংস্কৃতি উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন রাজ্যের অন্যতম মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এছাড়াও থাকবেন অভিনেতা অভিনেত্রীরা আরও একাধিক মন্ত্রী বিধায়ক প্রশাসনিক আধিকারিকরা।গত শুক্রবার উৎসব কমিটির অন্যতম সম্পাদক দিলীপ মল্লিক সভাপতি বিশ্বাস জানিয়েছেন যে আন্তর্জাতিক লোক সংস্কৃতি উৎসব মেলার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। শনিবার থেকে মেলা শুরু হচ্ছে চলবে আগামী ১৮জানুয়ারি পর্যন্ত।শনিবার দুপুর একটা থেকে বিশাল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হবে বিদ্যানগর মোড় থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে হেমাতপুর মোড় এসে। এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় হাজার হাজার মেলা প্রেমী মানুষ এবং প্রশাসনিক স্তরের আধিকারিক ট্যাবলো এবং অভিনেতা-অভিনেত্রীরা অংশগ্রহণ করে থাকবে। এবার মেলার প্রথম দিন বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে টিভি সিরিয়াল রানী রাসমণি খ্যাত নায়িকা এবং জয়ী সিরিয়ালের নায়িকা এছাড়াও অঙ্কুশ উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।এই মেলার প্রধান উদ্যোক্তা এবং কর্ণধর রাজ্যের অন্যতম মন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক স্বপন দেবনাথ এর তৎপরতায় আজকের মেলা স্বয়ংসম্পূর্ণ। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একাধিক কর্মকাণ্ড থাকে মেলাকে কেন্দ্র করে। বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ভরপুর থাকে এই লোক সংস্কৃতি উৎসব প্রাঙ্গণ।এবছর ভারতের ৯ রাজ্য থেকে এবং তিনটি দেশ থেকে বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মে প্রতিভাবান শিল্পীরা অংশগ্রহণ করবেন জানিয়েছেন মেলার অন্যতম মেম্বার দিলীপ মল্লিক।তিনি আরো জানিয়েছেন যে এবছর মেলা প্রাঙ্গনে আটটি প্যাভিলিয়ন এবং ১৫২টি স্টল থাকছে।লোক সংস্কৃতি উৎসব মেলা ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় উৎসাহ-উদ্দীপনা তুঙ্গে। ঢেলে সাজানো হয়েছে তরুণ সংঘের মাঠ এবং শ্রীরামপুর ইউনাইটেড হাই স্কুলের মাঠ প্রাঙ্গন। শয়ে শয়ে কর্মী এই মেলাকে সুন্দর সার্থক করার জন্য কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। এছাড়াও মেলা প্রাঙ্গণের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রচুর সিভিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে নাদন ঘাট থানার তরফ থেকে।মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানিয়েছেন যে এই মেলা প্রাঙ্গনে বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান হয় এছাড়াও স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন কে স্মরণ করে মেলা শুরু হয়। এছাড়াও বাকি সাত দিন বিশেষ বিশেষ দিনটিকে মনে রেখে স্মরণ রেখে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড শুরু করা হয় এর মধ্যে রয়েছে আদিবাসী দিবস উল্লেখযোগ্য। নাচ গান বিভিন্ন ধরনের সঙ্গীত এবং আলোচনা সরকারি প্রকল্পের বিষয়ে সচেতনতা মূলক আলোচনা এবং হস্ত শিল্পীদের স্বাবলম্বী করার জন্য সরকারি প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় নিয়ে সচেতনতা মূলক আলোচনা এবং হস্ত শিল্পীদের স্বাবলম্বী করার জন্য সরকারি প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় নিয়ে এই মেলায় আলোচনা হয়ে থাকে।এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা মেলা শুরুর।

Leave a Reply

Your email address will not be published.